গাইবান্ধায় কিডনি পাচার চক্রের সদস্য রায়হান আলীর আদালতে স্বীকারোক্তি প্রদান- সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই

গাইবান্ধায় কিডনি পাঁচার চক্রের সদস্য  রায়হান আলীর আদালতে স্বীকারোক্তি প্রদান

Tista Tista

Express

প্রকাশিত: ৪:৩৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৬, ২০২০
ছবিঃ ভুক্তভোগী ওহাব(মাঝে)

মাসুম লুমেন, গাইবান্ধা সংবাদদাতাঃ

গাইবান্ধায় কিডনি পাচারকারী চক্রের মূলহোতা আটককৃত রায়হান আলী নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান গাইবান্ধা পুলিশ সুপার (পিবিআই) এ আর এম আলিফ।

এর আগে আসামি রায়হান আলীকে ঢাকা মেট্রোপলিটন বাড্ডা থানার আলিফ নগর এলাকা থেকে ১৩ নভেম্বর গ্রেফতার করে (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) পিবিআই গাইবান্ধা।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার (পিবিআই) এ আর এম আলিফ সাংবাদিকদের বলেন, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ছোট সোহাগি গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল ওহাবের (২২) কিডনি পাচার সংক্রান্ত কারনে গত ২/১০/১৮ ইং সালে গোবিন্দগঞ্জ থানায় আসামি রাকিবুল, নুর আলম, শাহ আলম ও আফজালের নাম উল্লেখ করে বাদি আব্দুল মজিদ একটি মামলা দায়ের করেন। পরে ২৮/৭/১৯ ইং তারিখে উক্ত মামলার তদন্ত পিবিআই গাইবান্ধার উপর ন্যাস্ত করা হলে এস আই ইলিয়াস আলীকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে ডিআইজি (পিবি আই) বনজ কুমার মজুমদার বিপিএম এবং পুলিশ সুপার (পিবিআই) এ আর এম আলিফ এর দিক নির্দেশনায় ঢাকার বাড্ডা থানার আলিফ নগর এলাকা থেকে আসামি রায়হান আলীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রায়হান আলীকে আদালতে পাঠানো হলে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি জবানবন্দি প্রদান করেন।

জবানবন্দিতে তিনি জানান, আসামি রাকিবুল ভুক্তভোগী ওহাবকে রায়হানের কাছে পাঠিয়ে দেন। এরপর রায়হান সান এন্টারপ্রাইজ এর মালিক কবির এর নিকট পাঠালে কবির ভারতীয় দূতাবাস থেকে ভিসা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলার বিবির বাজার স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে পাঠিয়ে দেয়। সেখানে ভারতের একটি হাসপাতালে অপারেশন করে ওহাবের শরীর থেকে একটি কিডনি বের করে নেয়া হয় বলে জানান আসামি রায়হান আলী।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার  আরও বলেন, ভুক্তভোগী ওহাবের সাথে সান এন্টারপ্রাইজ এর মালিক কবির  একটি কিডনি বাবদ ৫ লক্ষ টাকা চুক্তি করলেও ওহাবকে মাত্র ৫০ হাজার দিয়ে বিদায় দেয় ওই প্রতারক চক্র।