গাইবান্ধার দুই পৌরসভাতেই আ.লীগ প্রার্থীর পরাজয়, জয়ী সতন্ত্র ও জাপা

প্রকাশিত: ২:০১ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৭, ২০২১

গাইবান্ধার দুই পৌরসভাতেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর পরাজয় হয়েছে।

গাইবান্ধা পৌরসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মতলুবুর রহমান বেসরকারী ফলাফলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। ৩১টি কেন্দ্রের ফলাফলে স্বতন্ত্র প্রার্থী মতলুবর রহমান নারিকেল গাছ প্রতীক নিয়ে ১২,৩৯৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সতন্ত্র প্রার্থী আনাওয়ার-উল সরওয়ার সাহিব ইঞ্জিন প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৯৭০ ভোট। তৃতীয় অবস্থানে
আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলন পেয়েছেন ৭৩০১ ভোট।

গাইবান্ধা পৌরসভায় তিন আওয়ামী লীগ ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীসহ ৮ জন মেয়র প্রার্থী, ১৭ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর এবং ৪১ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেন। এ পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগ থেকে শাহ্ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলন (নৌকা), বিএনপি থেকে মো. শহিদুজ্জামান শহীদ (ধানের শীষ) এবং স্বতন্ত্র মো. আনোয়ার-উল-সরওয়ার সাহিব (রেল ইঞ্জিন), মতলুবর রহমান (নারিকেল গাছ), মো. শামছুল আলম (মোবাইল ফোন), মো. আহসানুল করিম (চামুচ), মো. মির্জা হাসান (জগ) এবং ফারুক আহমেদ (ক্যারাম বোর্ড) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

এই পৌরসভা নির্বাচনে ৩১টি ভোটকেন্দ্রের ১৫৩টি ভোটকক্ষে ৫১ হাজার ৩শ’ ৮৭ জন ভোটার রয়েছে। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২৪ হাজার ৫শ’ ৯০ জন ও মহিলা ভোটার ২৬ হাজার ৭শ’ ৯৭ জন।

এদিকে, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। মেয়র পদে জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী আব্দুর রশিদ রেজা সরকার ডাবলু (লাঙল) ২ হাজার ৭০৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আব্দুল্লাহ আল মামুন (নৌকা) পেয়েছেন ২ হাজার ৫৫৮ ভোট। সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ১,২,৩ আসনে রুবিয়া বেগম, ৪,৫,৬ আসনে রত্না রানী এবং ৭,৮,৯ আসনে মনোয়ারা বেগম, সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে ১নং ওয়ার্ডে মো. ছামিউল ইসলাম, ২নং ওয়ার্ডে মো. মাজেদুর রহমান প্রামানিক রুনু, ৩নং মো.জামিউল ইসলাম জমু, ৪নং ওয়ার্ডে মো. মাহবুর রহমান, ৫নং ওয়ার্ডে মো. মশিউর রহমান বিল্পব, ৬নং ওয়ার্ডে লাবলু মিয়া, ৭নং ওয়ার্ডে মো. শাহীন মিয়া, ৮নং ওয়াডে মো. হাবিবুর রহমান এবং ৯নং ওয়ার্ডে বাবলু কুমার সরকার।
পৌরসভায় মোট ভোট সংখ্য ১৪ হাজার ৭১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ হাজার ৮৬৩ জন এবং নারী ভোটার ৭ হাজার ২০৮ জন। মোট ভোট কাষ্ট হয়েছে ১১ হাজার ৬৯৯ ভোট। ভোটারের শতকরা উপস্থিতি ছিল ৭৫ ভাগ।