শেরপুরে”ভয়েস আল-কুরআন” প্রতিযোগিতার সাফল্য হিসেবে একজনের ইয়েসকার্ড 

Tista Tista

Express

প্রকাশিত: ১২:২২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০২০
রবিউল ইসলাম শেরপুর জেলা প্রতিনিধি
শেরপুর সদর উপজেলার গৌরীপুর দারুল আমান নেছারিয়া ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা শেরপুর শাখার আয়োজনে জেলায় গতকাল ১৭ নভেম্বর রোজ মঙ্গলবার  সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত জাতীয়” হিফজুল কুরআন”প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয় এবং প্রতিযোগিতার সাফল্য হিসেবে একজন দীপ্তটিভিতে জাতীয় পর্যায়ে পরবর্তীতে কুরআন প্রতিযোগিতার ইয়েসকার্ড সহ কয়েকজন কুরআন প্রতিযোগিতার সাফল্য অর্জন করেন।
উক্ত প্রতিযোগীতার আয়োজনে ছিলেন,জাফর আহমাদ,প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম,মাদরাসাতুল আতফাল আল ইসলামিয়া,উত্তর নবীনগর,শেরপুর, মাওলানা আশরাফুল ইসলাম,প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল দারুল আমান নেছারিয়া ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা,গৌরীপুর,শেরপুর।
উক্ত কুরআন প্রতিযোগীতায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার শিক্ষার্থীগণ অংশগ্রহন করেন।প্রতিযোগীতাটি ২ ভাগে বিভক্ত করা হয়।১ম ধাপে ৫ পাড়ার অংশগ্রহণকারী মোট ৬৫ জন এবং ২য় ধাপে ১০ পাড়ার অংশগ্রহণকারী মোট ৫৮ জন।
১ম ধাপের বিজয়ী ১০ জনকে নিজ জেলায় পুরষ্কৃত করা হয় এবং ২য় ধাপের বিজয়ী ১০ জনের মধ্যে ৯ জনকে নিজ জেলাতেই পুরষ্কৃত করা হয়।২য় ধাপের বিজয়ী ১০ জনের মধ্যে ১ম জনকে ইবনে জাহিদ সানি(১০) কে ইয়েস কার্ড প্রদান করা হয় এবং সে জাতীয় পর্যায়ে সারাদেশের বিজয়ী প্রতিযোগীদের সাথে ঢাকায় প্রতিযোগীতা করার সুযোগ পান,সেই সাথে  বিজয়ী সানি কে আগামী ২০২১ সালে রমজান মাসে টেলিভিশনে কুরআন তিলওয়াত করার সুযোগও প্রদান করা হয়।
উক্ত কুরআন প্রতিযোগীতার বিচারগণ ছিলেন,
১.শায়েখ কারী সাইদুল ইসলাম   পারভেজ,চেয়ারম্যান ভয়েজ অফ আল কুরআন।
২.মাওলানা গোলাম কিবরিয়া আল মুসলিম,সেক্রেটারি  ভয়েজ অফ আল কুরআন।
৩.হাফেজ মাওলানা ওমর ফারুক,সেক্রেটারি ইশা আতুল কুরআন ফাইন্ডেশন বাংলাদেশ।
প্রতিষ্ঠাতা মুহতাহমিম জাফর আহমাদ বলেন,আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আয়োজন ছিলো,আগামীতে আমরা আরোও ভালো করার চেষ্টা করবো।সবার কাছে দোয়া চায়,সহযোগীতা চায়।
অভিবাবক এডভোকেট গাজী মোমীনা বেগম বলেন,আমি চাই ভবিষ্যতে এ কুরআন প্রতিযোগীতাটা আরোও ব্যাপকহারে প্রচার ও প্রসারের মাধ্যমে করা হোক।যাতে জেলার সকল গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ রাজনীতিবীদ,প্রশাসন,সাধারণ জনগন সবাই জানতে পারে ,উপস্থিত থাকতে পারে এমন প্রতিযোগীতায়।এতে সকলে ইসলামী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হবে।
সাধারণ মানুষরা বলেন,জেলায় এত সুন্দর কুরআন প্রতিযোগীতার আয়োজন করার জন্য শেরপুর জেলাবাসী আনন্দিত ও গর্বিত।এ বছরের ন্যায় প্রতিবছর যেন এ প্রতিযোগীতার আয়োজন যেন আরোও ব্যাপক হারে  করা হয় এই আশা ব্যক্ত করেন সকল শ্রেণীর মানুষজন।আয়োজকগন পরবর্তীতে এ প্রতিযোগীতার আয়োজনে জেলার সকল গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সহযোগিতা এবং দোয়া কামনা করেন।