জানুয়ারি ২১ থেকে ২৫ তারিখের ভিতরে ৫০ লক্ষ ভ্যাকসিন বাংলাদেশে আসবে

প্রকাশিত: ৭:১৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০২১

বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ তিন কোটি ভ্যাকসিনের মধ্যে থেকে জানুয়ারি ২১ থেকে ২৫ তারিখের ভিতরে ৫০ লক্ষ ভ্যাকসিন বাংলাদেশে আসবে,ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করবে,স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ২১ থেকে ২৫শে জানুয়ারির মধ্যে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে টিকা আসবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম। সোমবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে টিকা আসার পর সেগুলো স্টোরেজে রাখা হবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরির জন্য। টিকা পাওয়ার ৭ দিন পর প্রয়োগ শুরু হবে। এ সাতদিন স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হবে।টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবই কম উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, টিকা গ্রহণের পর কোনো অসুবিধার দায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বা সরকার নেবে না। তবে, টিকা গ্রহণের পর সামান্য জ্বর, মাথা ব্যথা, বমি ও টিকা দেয়ার স্থানে ব্যথা হতে পারে। এসব উপসর্গ শতকরা হিসেবে খুব কম মানুষেরই হতে পারে। এরপরও যদি কারও বড় ধরনের উপসর্গ দেখা দেয় সেজন্য টিকাদান কেন্দ্রে মোবাইল মেডিক্যাল টিম ও বেসিক মেডিসিন রাখা হবে। এদিকে, দেশে প্রথম দফায় কারা করোনার টিকা পাবেন তাদের তালিকাও প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তালিকানুযায়ী কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যসেবায় সরাসরি সম্পৃক্ত সরকারি, বেসরকারি ও প্রাইভেট স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রথমে টিকা পাবেন।এরপর রয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাষ্ট্র পরিচালনায় কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংবাদমাধ্যমকর্মী ও জনপ্রতিনিধিরা।এরপর বয়স অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার কর্মচারী, ধর্মীয় প্রতিনিধি, মৃতদেহ সৎকার কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, জরুরি পানি-গ্যাস-পয়ঃনিষ্কাশন-বিদ্যুৎ-ফায়ার সার্ভিস-পরিবহন কর্মী, স্থল-নৌ-বিমান বন্দর কর্মী, প্রবাসী শ্রমিক, জেলা-উপজেলায় জরুরি জনসেবায় সম্পৃক্ত সরকারি কর্মচারী, ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্বল্প রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জনগোষ্ঠীরা করোনার ভ্যাকসিন পাবেন। এরপর ধীরে ধীরে দেশের সবাইকে করোনার ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে।অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রথম ধাপে ২৫ লাখ নয়, ৫০ লাখ ডোজই প্রয়োগ করা হবে। আগে সিদ্ধান্ত ছিল, ৫০ লাখের ২৫ লাখ দেওয়া হবে কিন্তু নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫০ লাখই প্রয়োগ করা হবে।এছাড়া ৬৪ জেলার মধ্য ২৮টি জেলায় ভ্যাকসিন সংরক্ষণাগার তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সাড়ে ৭ হাজার কেন্দ্র থেকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।