ভূতের বাড়িতে সাত দিন- মারুফ হাসান

Tista Tista

Express

প্রকাশিত: ১০:৫৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩০, ২০২০
আমরা ইউনিভার্সিটি থেকে সবাই একবার পিকনিকে গিয়েছিলাম।
আমরা সাতদিনের জন্য পিকনিকে বাহির হয়েছি।এক দিন এক জায়গায়  ঘুরে দেখব।
(মুল চরিত্রে লেখক নিজে, সাকিল,সিমা,লুবা,রুপা,আন্টি,জাফর স্যার,এবং অন্যরা)
(১)
আমরা প্রায় ৪০ জন ছাত্র-ছাত্রি আর ১০ জন প্রফেসর নিয়ে দেশ ভ্রমণের জন্য বেরিয়ে পরেছি।আমাদের সবার জন্য একটা বাস আর প্রফেসরদের জন্য ছিলো মাইক্রোবাস।সবাই হইচই করে বাসে বসে পরলাম। আমরা সিট ছিলা জানালার পাসে। জানালা দিয়ে বাহিরে পরিবেশ দেখছি।আমার পাসে সাকিল বসেছে। পিছনে সাকিল যাকে পছন্দ করে সে বসেছে।সাকিল মাথা উঁচু করে মাজে মাজে কথা বলছে। আমি প্রকৃতি  দেখতেছি আর মাজে মাজে সাকিলকে দেখাচ্ছি। হঠাত দেখি আমি আমার পাসে সিমা। জানিনা সাকিল ভাবে কতভার তাকে জরিয়ে দরেছি। সাকিলকে পিছনে পাঠিয়ে দিয়েছে সিমা।
আমি: কিরে তুই, সাকিল কই
সিমা: সে কখন পিছনে গিয়ে প্রেম করছে।
আমি: এই সালা তোই পিছনে গিয়া প্রেম করতাসোস।
সাকিল: আরে দুর সালা ডিস্টার্ব করিস নাতো।
সিমা: আহা থাকনা।
আমি:থাক মানে,, আমি এতুখন কি তকে জরিয়ে দরেছি।
সিমা: কেনো তুমি জানো না।কাকে আদর করেছো।
আমি:দেখ বাজে বকবি না। তুকে দেখে মানে হচ্ছে
          তকেই,,,,,
সিমা: হে আমকেই।
আমি:দুস তুই কিছু মানে করিস না প্লজ।
সিমা:না রে আমি কিছু মনে করিনি,,,আমার কিন্তু ভালই
         লাগছে।
আমি:হে তাই না, আয় আবার ভালো করে দরি।
সিমা:ঠিক আছে দোরো।
আমি:যাহা যাহা মজা বুঝছ না।
সিমা:দেখো সাকিল আর লুবা প্রেম করছে। আর
        আমরা,,,,      হুম্মম্ম,,,
আমি:ঠিক আছে দেখ আমরা ৭ দিনের জন্য বাহির
         হয়েছি। এসব কথা পরেও বলতে পারবো।
সিমা: এই পরে পরে করতে করতে আমাদের সম্পর্ক
        আর সামনে এগুলো  না,,।
আমি:দুর বেশি কথা না বলে আমরা মাথাটা টিপে দে।
সিমা: না দিবো না,,,,।
আমি:আরে দে কাল ঘুম হয়নি।
সিমা:তোমার সেবা করে আমার কোন লাভ নাই
        (সে মাথ টিপছে)
আমি:আরে লাভ আছে,,,,
সিমা:থাক আমাকে আর লাভ দেখানো লাগবে না।
         ঘুমাও,,,,।
(২)
আমি ঘুমিয়ে পড়লাম,,,। বাস এক জায়গায় এসে থেমেছে। কন্টাকটার মামা সবাই কে নামার কথা বলছে। আমি সিমার কাঁধে মাথা দিয়ে ঘুমাচ্ছি।
সবাই নেমে গেছে আমি তখন ঘুমে তলিয়ে আছি। সাকিল আর লুবা নেমে গেছে। তারা আবার বাসে আসে আমাদের জন্য।
সাকিল:কিরে সিমা সালাকে কি পটিয়ে ফেললি নাকি,,
লুবা:পটাবে কি পটেই তো আছে।
সিমা:এই তোরা যাতো দেখ সে ঘুমাচ্ছে।
সাকিল: শোন এবাবে তদেরকে স্যার দেখলে খুব
            জামেলা হবে।
সিমা: কি যে জ্বালা,,,,,, এই উঠো বাস থেকে নামতে হবে।
আমি: একটো পরে নামি ঘুমাটা খুব ভালো লাগছে।
সাকিল:হেরে সালা বালিশ টাও খুব ভালো।
সিমা:দুর সাকিল
সাকিল: উঠ সালা উঠ।।।
আমি: হায়,,,,,,, কিরে সিমা তুই নামিস নি।
সিমা:আমি নামলে তুমি কি আর ঘুমানোর বালিশ পেতে।
আমি: দুর  চলচল দেখি কোথায় এনেছে আমাদের।
(৩)
আমরা চার জন মাত্রো বাস থেকে নেমেছি।
জাফর স্যারের সাথে দেখা।।
জাফর স্যার: এইযে শোনো চার পাশ ঘুরে আবার
                   চারটার মধ্য এখানে চলে আসবে।
                   ঠিক আছে।
আমার    : ঠিক আছে স্যার,,,,
জাফর স্যার: দেখেতো ঠক আছে মানে হয় না,,,। যাও
                    কিন্তু হারিয়ে  যেও না।
(৪)
আমরা চার পাশ ঘুরে দেখছিলাম। এখানের চার পাশ বেশ নিরব।
হাটতে হাটতে আমার  একটা বাড়ি চোখে পরলো। বাড়িটার আসে পাশে কোনো বাড়ি নাই। মনে হয় বাড়িটি নতুন করা হয়েছে।
আমি: এই দেখ  একটা বাড়ি আছে এখানে। চল
          যাই।
সিমা: মনে হয় এটা ভূতের বাড়ি।
সাকিল:বাজে বকো নাতো।চলো বাড়িটা দেখে আসি।
লুবা:  তোমারাই যাও ভূতের বাড়ি আমি আর সিমা
         যাব না।
আমি: সাকিল মোবাইল আর আমাদের ব্যাগটা এদের
          কাছে দিয়েদে।
সাকিল: কেনো রে,,, ব্যাগটা নাহয় দিলাম কিন্তু মোবাইল
            দিলে ছবি  তুলবো কিভাবে:
আমি  :আমি ক্যামেরা নিয়ে আসছি,,
সাকিল :তোমরা এই দিকের চার পাশটাতে ঘুরতে থাকো।             আমরা ভূতের বাড়িটা দেখে আসি,,,,।
(৫)
আমি আর সাকিল খুব দ্রুত বাড়িতে গেলাম। বাড়ির চার পাশটা বেশ সুন্দর। বাড়ির পাসে একটা ছোট্ট ঘর চোখে পড়ল।আমি আর সাকিল প্রথমে ছোট্ট ঘরটিতে কারো পারমিশন না নিয়েই ঢুকে পরলাম। মনে হয় এখানে কেও থাকে একটা রুম কিন্তু বিতরে একজন মানুষ থাকার জন্য সব কিছু আছে।
আমি : দেখ একটা রুম কিন্তু কতো সাজানো।
সাকিল: মনে হয় পারমিশন না নিয়ে ঢুকে পড়া ঠিক
            হয়নি।
আমি : অহা কেও যদি আসে বলবো পানি খেতে এসেছি।
সাকিল: কেও আসবে না ভূত আসবে,,
আমি : তাই না,,, তুই এবার মজা নিচ্ছিস।
সাকিল: চল সোফায় বসে আরাম করি।
আমি : হে,,, অনেক জার্নি করেছি। আমার শরীর খুব
       ক্লান্ত।
(৬)
আমি বলে বলে ঘুমিয়ে পড়লাম। কে যেন ডাকছে আমাদেরকে।চোখ খুলে দেখি। আমাদের ইউনিভার্সিটির রুপা।আমার দুজনেই  আবাক,, প্রায় এক বছর পরে রুপা সাথে দেখা।
রুপা :কিরে তোরা আমার বাসা চিনলি কিভাবে,  আবার
         এসেই ঘুমিয়ে পরলি।
আমি :এটা তোর বাড়ি,, সাকিল আমাকে চিমটি দেতো,,
           না জেগেই তো আছি।
সাকিল:আমরা ভেবেছিলাম  এটা ভুতের বাড়ি।
রুপা :আরে দুর এই যে পাশের বাড়িটা আছে না সেখানে
         মা থাকে আর আমি এখানে দিনে থাকি,,,।
আমি :চল তোর মায়ের সাথে দেখা করে আসি,,
রুপা :না না এখন না মা তদের দেখলে মাইন করবে।
আমি :কেনো রে,,, আমরা তো তোর বন্ধু  নাকি।
রুপা : মা আমকে কারো সাথে মিশতে দেয় না।
          সারাদিন বাড়ির পিছনে পুকুর পারে বসে থাকি।
          কোন ছেলে মানুষের সাথে কথা বলতে দেখলে
          মা বকা দেয়।
আমি: আরে আমাদের দিবে কেনো আমরা না কত তোর
          বাড়িতে গিয়েছি।
রুপা : শুধু তারা না  আমি যতে কারো সাথে দেখা বা
          কথা না বলতে পারি এর জন্যে আমার
          মোবাইলটাও নিয়ে গেছে। আর বাড়ির চরপাশে
          সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে।মা মনে হয়
          তোমাদের দেখেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আসতে
         পারে।
আমি : বুঝলাম না তুই ছিলি উরো পাখি,আর তোর জন্য
         কি না এতো নিয়মের মধ্যে,,,,,,  ।
সাকিল:আর তোরা ঢাকা থেকে এখানে,কেনো?
রুপা :আমি জানি না,, মা বলে ঢাকার আর আমাকে
         নিয়ে যাবে না, বাবা মাঝে মধ্যে আসে, আমি
        বাবার সাথে ঘুরতে যেতে চাইলে মা বাবা দুজনেই
        কাঁদে। যানিস আমার খুব ঘরতে ইচ্ছে করে রে।
        এই দেখ নিজের কথা বলতে বলতে তদের কথা
       ভুলে গেছি। তোরা আমার বাসার ঠিকানা পেলি
       কিবাবে।
আমি : সবি কপাল। আমরা এসেছি ইউনিভার্সিটি থেকে
         ৭ দিনের জন্য পিকনিকে।
সাকিল:দূর থেকে বাড়িটা চোখে পরলো তাই চলে
            আসলাম।
আমি :আর এসেই যে তোর সাথে দেখা হলো ,,,
রুপা :তোরা পিকনিকে আসছিস,, ইস আমিও যদি
          তদের সাথে ঘুরতে পারতাম।
আমি :হে হে চল যাই।
রুপা : না রে মা দিবে না।
সাকিল:আমরা গিয়ে বললে দিবে,,
রুপা :থাক তারা যতক্ষণ আছিস থাক এখানাই। মা
         দেখলে তো  আর এখানে তদের থাকতে দিবে না।
আমি:আচ্ছা তোই ইউনিভার্সিটি থেকে চলে আসলি
         কেনো।
রুপা:আমি যানি না, মা বলেছে এখন নাকি আমাকে
         পাড়াবে না।পারে যদি ঢাকায় যাই তবে পাড়াবে।
(৭)
সিমা আর লুবা আমাদের নিয়ে খুব চিন্তা করছে,,এদিকে আমরা দুপুরে খাবার খাইনি। স্যার বলছে সন্ধার আগেই বাস ছেড়ে দিবে। এখনো আমরা সেখানে যাইনি।
লুবা :কি বেপার বলতো এরা কি ভূতের বাড়ি গিয়ে
         ভূত হয়ে গেছে।
সিমা :আমার মানে হয় যাওয়া উচিৎ যদি কোনো বিপদ
          হয়।
লুবা : তাও ঠিক,, কিন্তু স্যার কে যদি বলি তারা এতক্ষণ
        দেরে নিখোঁজ আর তারা ভূতের বাড়িতে গেছে।
         স্যার সুজা বাবা-মাকে ফোন দিবে। তার থেকে
        ভালো আমরা কিছুক্ষণ অপেক্ষা করি।
সিমা :তোর তো সাকিল কে নিয়ে কোনো চিন্তা নাই,
         (কেদে কেদে)আমি তো এই প্রথম ওর ভালোবাসা
         পেয়েছিলাম।
লুবা : আরে কান্না থামা,, চল দেখি কি করা যায়।
তারা ভয় ভয় নিয়ে বাড়ির দিকে আসছে। এক পা সামনে দিলে আবার দুপা পিছনে দেয়।
(৮)
আমার রুপার সাথে কথা বলছি।রুপা আমাদের খাবার খাইয়েছে।আমরা খাওয়া শেষ করেছি।
আমি :খাবার আনলি আন্টি কিছু বলেনি।
রুপা : না,,, আমি খাবার চেয়েছি মা খাবার দিয়েদিছে।
        মা আমাকে আজ বেশি বেশি করে খাবার দিছে।
        আর মা আজ বাড়িতে অনেক  কিছু রান্না করেছে।
সাকিল:হে আমাদের কপালটাই ভালো।
(খাবার শেষ করে বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছি আমারা তিন জন)
রুপা :চলো পুকুর পারে গিয়ে বসি।
আমি :হে হে চল চল।
রুপা : এই দাঁড়াও দাঁড়াও, মা আছে, পারে যাও।
সাকিল: আরে তোর মা কিছু বলবে না।
রুপা : তোমরা  জানালা দিয়ে যাও আমি সামনে দিয়ে
           আসছি।
আমি :ঠিক আছে,,, আমার যাই,,
(৯)
রুপার মা উঠানে আমি আর সাকিল জানালা দিয়ে নামছি। সাকিল
আমার আগে নেমেছে,, আমিও নেমে পরলাম।
সাকিল: লুকিয়ে পড়ো,মাথা নিচু কর মনে হয় দেখেছে
             আমারা যে  জানালা দিয়ে নেমেছি।
আমি : হে,হে তাই তো দেখছি,,,। আন্টি আমাদের দিকেই
           আসছে। যদি আন্টি জানতে পারে আমরা সারা
           দিন রুপার সাথে ছিলাম রুপা কে খুব বকা দিবে।
আন্টি: এই যে  তোমরা এদিকে আসো
আমি:  হে আন্টি,,  আসলে এদিক দিয়ে চলেছিম তো
           তাই।
আন্টি: থাক কিছু বলতে হবে না। আমি সব দেখেছি।
সাকিল: ক্ষমা করবেন আন্টি আসলে আমরা
             ইউনিভার্সিটি থেকে  পিকনিকে এসেছি ।
আন্টি: আচ্ছা বাবা ঠিক আছে, আমি তোমাদের প্রথমেই             দেখেছি।রুপার ঘড়ের চার পাশে ক্যামেরা
           বসিয়ে দিয়েছে তোমাদের আঙ্কেল। আমি সেই
            জন্য দেখতে পেয়েছি।
আমি: আন্টি তার মানে আমাদের দেখেছেন আপনি
           ভালো ভালো খাবার পাঠিয়েছেন।
আন্টি: হে বাবা,
সাকিল: আচ্ছা আন্টি রুপা বলছিলো তার কি এক
             সমস্যার কারণে আপনারা ঢাকা থেকে চলে
             এসেছেন।
আন্টি: সে অনেক লম্বা ইতিহাস, যখন আমরা ঢাকায়
           ছিলাম তখন সে এক দিন খুব দেরি করে বাড়ি
           ফিরে।এর পর থেকে সে কারো সাথে কথা বলে
            না।ঘরের দরজা বন্ধ করে একা একা কথা বলে
           কাদে,নাচে।আমারা এটা দেখে মনে করেছিলাম
           মেয়েটা আমার পাগল হয়ে গেছে।তার পর থেকে
           পাগলের যতো ডাক্তার আছে সব দেখিয়েছি।
            সবাই বলে তার কোনো সমস্যা নাই।
           তার মাথা অনেক বার স্ক্যান করিয়েছি কোনো
          নেগেটিভ রিপোর্ট আসেনি।
       (বলতে বলতে আন্টি কেদে ফেলেন)
আমি: আন্টি কেদবে না প্লিজ আমরা রুপার বন্ধু তার
          সমস্যা গুলো  বলেন দেখি কি করা যায় ।
           ইনশাল্লাহ রুপা ভালো হয়ে  যাবে।
সকিল: তারপর কি হলো।
আন্টি: তারপর ডাক্তার সাহেব বলেছেন তাকে নিয়ে
          নিরব কোথাও যেতে। ডাক্তারের কথা মতো
          এখেনে আসা। জানো বাবা এই পর্যন্ত যে তার
          সাথে  দেখা করতে এসেছে, তাদের
         কারো সাথে সে কোনো কথা  বলেনি। আর আজ
         প্রথম আমি ছাড়া  রুপা তোমাদের সঙ্গে কথা
         বলেছে। তোমরা আসার আগেও সে একা একা
        নেচে ছিলো। কিন্তু সে আজ তোমাদের সঙ্গে কথা
        বলেছে তোমাদের খাবার নিয়ে খাইয়েছে। আমি
        আজ আমার মেয়েকে দেখে অনেক খুশি।
      (কেদে কেদে) আমি অনেক খুশি,অনেক খুশি।
(১০)
লুবা আর সিমা আমাদের দুর থেকেই দেখে ঠাকতে ঠাকতে আমাদের কাছে এসে পড়েছে।
সিমা  :তোমরা এখানে,আমরা খুজতে খুজতে শেষ।
লুবা   :আমি ভাবছি এখানে এসে তোমরা ভূত হয়ে
           গেছো।
আমি  :এই থামো তো তোমরা। দেখো তো আন্টি কে
            চিনো কিনা।
সিমা  : না
লুবা  :রুপার মায়ের মতো। রুপার মোবাইলে ছবি
          দেখেছি কিন্তু তারা তো ঢাকায়।
সাকিল: হে এটা রুপা মা কিন্তু তারা এখন এখানে থাকে।
সিমা : কেন আন্টি, রুপা বেশ কিছু দিন ইউনিভার্সিটি তে
          আসে না।
আন্টি : এটা অনেক লম্বা কাহিনী।
লুবা  : আন্টি বলেন আমরা শুনবো।
আমি : থাক আজ সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে আমাদের বাসে
           ফিরতে হবে।
আন্টি : রুপার  জন্য আজ তোমাদের পিকনিকটা
           কেন্সেল করা যায় না বাবারা।আমি চাই আজ
            তোমরা রুপার জন্য আমাদের বাড়ি থাকো।
সাকিল: কি বলছেন আন্টি। রুপা আমাদের বন্ধু আর
             বন্ধুর জন্য এতোটুকু করতে পারবো না।
সিমা : কি হয়েছে আন্টি রুপার।
আন্টি : আজ থাকো সব বলবো।
লুবা  : আমি জাফর স্যার কে ফোন করে বলে দেই
           আমরা চার জন এখানে থাকবো।
(লুবা জাফর স্যার কে ফোন দিলো)
জাফর স্যার: কে লুবা।
লুবা  : হে স্যার
জাফর স্যার : সাকিলরা এখনো বাসে ফিরতে পারেনি।
                      তোমরা কি তাদের খোঁজে পয়েছো ।
লুবা : হে স্যার, খোঁজে পেয়েছি কিন্তু স্যার আমরা
          চারজন আজ এখানে এক আন্টির বাসায়
          থাকবো।
জাফর স্যার : একি বলো মা সবাই কি বলবে আর
                      তোমাদের বাড়িতে কি বলবো আমি।
লুবা :আমি সাবার বাসায় ফোনে বলে দিবো এটা নিয়ে
        কোনো  সমস্যা হবে না স্যার। আপনি শুধু ঢাকায়
        ফেরার পথে আমাদের এখান থেকে নিয়ে যাবেন।
        আর আমাদের ব্যাগে গুলোতে কিছু টাকা আছে
        আর সাকিলদের দুটো মোবাইল আছে।এগুলো
         স্যার আপনারা কাছে রাখবেন প্লিজ স্যার।
জাফর স্যার : ঠিক আছে মা,,। ৭দিনের পিকনিকে তো
                     এসেছিলাম আরও ৬ দিন বাকি আছে।
                      আমরা ঠিক সময়ে  এসে ফোন দিবো।
(রুপা পিছনে দারিয়ে আমাদের কথা শুছে।)
সিমা: কিরে রুপা কেমন আছিস তোই
রুপা: ভালো তোরা।
লুবা: আমরা সবাই ভালো।
আন্টি :এখানেই সব বলে শেষ করবে না কি চলো বাসায়
           চলো।
রুপা : হে হে চল আজ আমরা সারা রাত গল্প করবো ।
(সবাই রুপার সাথে বাসায় যাচ্ছে আমি আর আন্টি পিছনে পিছনে হাটছি)
আমি : আন্টি মনে হয় আল্লাহ আপনারা কথা শুনেছে।
আন্টি : আল্লাহ যেনো আমার মেয়েটা কে পুরো ভালো
            করে দেয়।
          (আন্টি আবার কেদে দিলেন)
আমি : আন্টি কাদবেন না প্লিজ। দেখবেন এখন থেকে
           রুপা ভালো হয়ে যাবে। আবার সবার সাথে
            মিশবে। আবার ইউনিভার্সিটি যাবে।,,,,,,,,,
                            সমাপ্ত